আইআরও বাংলাদেশ ওপেন ২০২৬ আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে আয়োজিত হতে পারে। বাংলাদেশ পর্বে এ বছর অংশ নিতে পারবে বাংলাদেশী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া ১ম থেকে ১২শ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। মোট ৪ টি ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতে পারে।
এই ক্যাটাগরিগুলো ৩ টি ভাগে বিভক্ত –
-
ক্যাটাগরি
ক) থিম সম্বলিত ক্যাটাগরি - ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি ও ফিজিক্যাল কম্পিউটিং
খ) মিশন চ্যালেঞ্জ
গ)রোবটিকস কুইজ (যার সাথে আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের কোন সম্পর্ক নেই এবং এই ক্যাটাগরির বিজয়ীদের আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণের কোন সুযোগ নেই)।
থিম সম্বলিত ক্যাটাগরি
প্রতিবছর আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড কর্তৃপক্ষ ভিন্ন ভিন্ন মূলথিম প্রদান করেন। বাংলাদেশ পর্বেও একই মূলথিম অনুসরণ করা হয়। প্রতিযোগী দলদের থিমের সাথে সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের জন্যই রোবট তৈরি করতে হয়।
২০২৬ সালের মূলথিম “Cultural Heritage Service Robots: Robots that help people experience, understand, and protect cultural heritage.”। মূলথিমের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা তাই নিজেদেরকে আগে থেকেই রিসার্চ করে রাখতে হবে।
এবছরের মূলথিমের অফিসিয়াল সারাংশ –
Cultural Heritage Service Robot refers to robots supporting human interaction, cultural understanding, and social responsibility. This main theme has been established in consideration of the rich cultural heritage and historical background of Europe, including Austria. It has been planned to explore the roles that robotics and artificial intelligence technologies can play in enhancing human interaction, fostering cultural understanding, and contributing to the realization of social responsibility. Through this theme, participating students are encouraged to develop their projects in the following directions:
– Service robots that support the preservation, interpretation, and experience of cultural heritage
– Robotic systems that interact with people and communicate cultural value
– Robots and AI applications that reflect social responsibility, including public interest, accessibility, and inclusiveness
– Other robots related to Cultural Heritage Service
The main theme aims to assess not only technical excellence but also the degree of understanding of and contribution to people, society, and culture.
২ টি ক্যাটাগরিতে এই থিম অনুসরণ করা হবে-
১। ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি
২। ফিজিক্যাল কম্পিউটিং ক্যাটাগরি
এই ক্যাটাগরিগুলোতে প্রতিযোগিতার সময় প্রদান করা সাবথিমের সাথে সম্পর্কিত কোন সমস্যা রোবটের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। সাবথিম অবশ্যই মূল থিমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে। তাই এই ২ টি ক্যাটাগরিকে থিম সম্বলিত ক্যাটাগরি বলা হয়।
এই ক্যাটাগরিতে শ্রেণির ভিত্তিতে ২ টি গ্রুপে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে-
- জুনিয়র - ১ম থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণি (Grade 1-6)
- সিনিয়র - ৭ম থেকে ১২শ শ্রেণি (Grade 7-12)
- *** এক্ষেত্রে ২০২৬ সালে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ কোন ক্লাসে পড়বে সেটি বিবেচিত হবে। যেমন কোন শিক্ষার্থী যদি ২০২৬ সালের মে মাসে ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী থাকে, কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে ৭ম শ্রেণিতে পড়ে, তাহলে তাকে অবশ্যই শ্রেণি হিসেবে ৭ম শ্রেণি নির্বাচন করতে হবে। কোন শিক্ষার্থী ভুল শ্রেণি নির্বাচন করে প্রতিযোগিতায় অংশ নিলে এবং পরে সেটি প্রমাণিত হলে সেই শিক্ষার্থীর সকল অর্জন বাতিল করা হবে।যারা ২০২৬ সালে এইচএসসি বা এ লেভেল (A2) বা সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে তারা অংশ নিতে পারবে না।
-
এই ক্যাটাগরিগুলোতে একটি দলে একজন থেকে সর্বোচ্চ তিনজন পর্যন্ত সদস্য থাকতে পারে। তবে এক্ষেত্রে একটি দলের সকল সদস্যকে একই গ্রুপের হতে হবে। যেমন – একই দলের সবাই জুনিয়র গ্রুপের হতে পারবে (দলের সবাই ১ম থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী)। কিন্তু একই দলে একজন সিনিয়র ও আরেকজন জুনিয়র একসাথে অংশ নিতে পারবে না। কেউ চাইলে এককভাবেও (Individual Participation) একটি দল গঠন করতে পারবে।
থিম সম্বলিত ক্যাটাগরিতে প্রস্তুতি নেবার পরামর্শ নিম্নরূপ -
- ক) সবার আগে হাতেকলমে রোবট বানানো শিখতে হবে। এজন্য চাইলে রোবটিক্স সম্পর্কিত বই পড়া যেতে পারে, অনলাইন থেকে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল অনুসরণ করা যেতে পারে কিংবা রোবটিক্স সম্পর্কিত বিভিন্ন কর্মশালায়ও হাতেকলমে অংশ নেয়া যেতে পারে। আমরা নিয়মিত বিভিন্ন পর্যায়ের রোবটিক্স কর্মশালা আয়োজন করি। আমাদের ওয়েবসাইটেই এগুলোর আপডেট তথ্য পাওয়া যাবে।
- খ) রোবটিক্স শেখার কোন শেষ নেই। চাইলে যেকোন একটি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড দিয়ে শেখা শুরু করা যেতে পারে। যেমন, বাংলাদেশে আরডুইনো, ইএসপি৩২, রাস্পবেরি পাই, মাইক্রোবিট, জ্যাটসন ন্যানো ইত্যাদি নানারকম ডেভেলপমেন্ট বোর্ড বা সিংগল বোর্ড কম্পিউটার পাওয়া যায়। প্রথমে এরমধ্যে যেকোনো একটি বোর্ড ব্যবহার করে শেখা শুরু করতে হবে।
- গ) তবে রোবটিক্স শিখতে গেলে ইলেক্ট্রনিক্সের বেসিক কনসেপ্ট, বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ডিভাইস নিয়ে হাতেকলমে কাজ করা, প্রোগ্রামিং শেখাসহ আরও নানা বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন হয়। তাই যেকোনো একটি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড নিয়ে কাজ করা শুরু করার সময় এই বিষয়গুলোও খেয়াল রাখতে হবে।
- ঘ) কোন একটি টিউটোরিয়াল বা নির্দেশনা অনুসরণ করে কিছু তার জোড়া লাগিয়ে একটি সার্কিট তৈরি করতে পারলেই রোবট বানানো শেখা সম্পূর্ণ হয় না। প্রতিটি ধাপে যেসব ডিভাইস ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলো কীভাবে কাজ করে, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কেমন আচরণ করে, ডিভাইসগুলো সম্পর্কে টেকনিক্যাল জ্ঞান অর্জন ইত্যাদি শিখতে হবে। আবার ওই প্রোজেক্ট তৈরি করতে যেই প্রোগ্রামিং লাগবে সেটির সিনট্যাক্স, ব্যবহার ইত্যাদিও শিখতে হবে যথাযথভাবে।
- ঙ) সব রোবটে একই প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা হয় না। বাংলাদেশে বিভিন্ন রোবট তৈরিতে সি প্রোগ্রামিং, সি++, পাইথন, জাভাস্ক্রিপ্ট, স্ক্র্যাচ সহ আরও বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা। তুমি যেই ডেভেলপমেন্ট বোর্ড ব্যবহার করবে সেই বোর্ডে কোন প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা যায় সেটি আগে জেনে নিবে। এরপর সেই প্রোগ্রামিং ভাষা ভালোভাবে শিখবে। তবে একটি প্রোগ্রামিং ভাষা শিখে গেলে পরবর্তীতে নতুন আরও প্রোগ্রামিং ভাষা শেখা সহজ হয়ে যায়। বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা শেখারও বিভিন্ন রকম রিসোর্স, বই, টিউটোরিয়াল ইত্যাদি অনলাইনে ও অফলাইনে পাওয়া যায়।
- চ) বিভিন্ন রকম রোবট বানানো বাসায় বারবার চর্চা করতে হবে। যতবেশি চর্চা করা হবে, তত ভালো শিখতে পারবে।
- ছ) প্রতিটি ক্যাটাগরির নিয়মাবলী (রুলবুক) আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ভালো করে জেনে নিতে হবে।
- জ) এই ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণের জন্য এইবছরের মূলথিম নিয়ে রিসার্চ করা জরুরী। মূলথিমে যেই বিষয়বস্তু বলা আছে, রিসার্চ করে সেই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ খুঁজে বের করতে হবে। এমন বিভিন্ন সমস্যা খুঁজতে হবে, যেখানে রোবট মানুষের উপকার করতে পারবে এবং ওই সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
-
ঝ) এই ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতার সময় তাৎক্ষণিক সাবথিম দেয়া হবে। সাবথিম মূলথিমের সাথেই সামঞ্জস্যপূর্ণ (compatible) থাকবে।
যেমন: ২০২৪ সালের আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের মূলথিম ছিল “Future Marine City Busan : Industry, Tourism, Culture”। এর পাশাপাশি সেই বছর প্রতিযোগিতার ভেন্যুতে সাবথিম দেয়া হয় Underwater construction industry; যার সাথে মূলথিম সরাসরি সম্পর্কিত। থিম সম্বলিত ক্যাটাগরিতে অংশ নিতে হলে রোবটকে অবশ্যই মূলথিমের এবং সাবথিমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ (compatible) রাখতে হবে। এজন্য বাসায় বিভিন্ন সম্ভাব্য সাবথিম চিন্তা করে নানারকম রোবট তৈরি করা চর্চা করতে হবে। তাহলে নিজেকে ভালোভাবে প্রস্তুত রাখা যাবে প্রতিযোগিতার সময় পাওয়া সাবথিম অনুযায়ী রোবট নিয়ে কাজ করার জন্য। - ঞ) ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরির প্রস্তুতির জন্য বাসায় নিয়মিত বিভিন্ন সাবথিম চিন্তা করে রোবট তৈরি চর্চা করতে হবে। পাশাপাশি রোবট চালিয়ে দেখা ও রোবট নিয়ে প্রেজেন্টেশন দেয়ার চর্চা করতে হবে।
- ট) ফিজিক্যাল কম্পিউটিং ক্যাটাগরির প্রস্তুতির জন্য বাসায় স্ক্র্যাচ বা এন্ট্রি সফটওয়্যারে এনিমেশন ও রোবটের কোড তৈরি করা চর্চা করতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন সাবথিম চিন্তা করে সেই অনুযায়ী এই সফটওয়ারগুলো ব্যবহার করে রোবট বানিয়ে রোবটের ও এনিমেশনের প্রেজেন্টেশন নিয়ে অনুশীলন করতে হবে।
রোবটিকস কুইজ ক্যাটাগরি
এই ক্যাটাগরি আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে অনুষ্ঠিত হবে না। শুধুমাত্র বাংলাদেশ পর্বে আয়োজিত হবে নতুন শিক্ষার্থীদের রোবটিকস বিষয়ে উৎসাহ দেবার জন্য। তাই এই ক্যাটাগরির বিজয়ী শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে অংশ নেবার সুযোগ নেই।
রোবটিকস কুইজ ক্যাটাগরিতে প্রস্তুতি নেবার পরামর্শ নিম্নরূপ -
রোবটিকস কুইজ ক্যাটাগরিতে ইলেকট্রনিকস, বেসিক রোবটিকস, প্রোগ্রামিং, মেকাট্রনিক্স সিস্টেম ও বিভিন্ন গাণিতিক সমস্যা থাকে। এসব বিষয়বস্তু চর্চা করার জন্য রোবটিক্স সম্পর্কিত বিভিন্ন বই, টিউটোরিয়াল বা অন্য কোন রিসোর্স থেকে শেখা যেতে পারে। এই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন নমুনা প্রশ্ন দেয়া আছে। সেগুলোও চাইলে চর্চা করা যাবে এই লিংকে –
পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বিভিন্ন প্রশ্ন পোস্ট করা হয় আমাদের ফেসবুক পেজে। চাইলে সেগুলোও অনুশীলন করা যেতে পারে।
মিশন চ্যালেঞ্জ ক্যাটাগরিতে প্রস্তুতি নেবার পরামর্শ নিম্নরূপ -
- ক) সবার আগে হাতেকলমে রোবট বানানো শিখতে হবে। এজন্য চাইলে রোবটিক্স সম্পর্কিত বই পড়া যেতে পারে, অনলাইন থেকে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল অনুসরণ করা যেতে পারে কিংবা রোবটিক্স সম্পর্কিত বিভিন্ন কর্মশালায়ও হাতেকলমে অংশ নেয়া যেতে পারে। আমরা নিয়মিত বিভিন্ন পর্যায়ের রোবটিক্স কর্মশালা আয়োজন করি। আমাদের ওয়েবসাইটেই এগুলোর আপডেট তথ্য পাওয়া যাবে।
- খ) রোবটিক্স শেখার কোন শেষ নেই। চাইলে যেকোন একটি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড দিয়ে শেখা শুরু করা যেতে পারে। যেমন, বাংলাদেশে আরডুইনো, ইএসপি৩২, রাস্পবেরি পাই, মাইক্রোবিট, জ্যাটসন ন্যানো ইত্যাদি নানারকম ডেভেলপমেন্ট বোর্ড বা সিংগল বোর্ড কম্পিউটার পাওয়া যায়। প্রথমে এরমধ্যে যেকোনো একটি বোর্ড ব্যবহার করে শেখা শুরু করতে হবে।
- গ) তবে রোবটিক্স শিখতে গেলে ইলেক্ট্রনিক্সের বেসিক কনসেপ্ট, বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ডিভাইস নিয়ে হাতেকলমে কাজ করা, প্রোগ্রামিং শেখাসহ আরও নানা বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন হয়। তাই যেকোনো একটি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড নিয়ে কাজ করা শুরু করার সময় এই বিষয়গুলোও খেয়াল রাখতে হবে।
- ঘ) কোন একটি টিউটোরিয়াল বা নির্দেশনা অনুসরণ করে কিছু তার জোড়া লাগিয়ে একটি সার্কিট তৈরি করতে পারলেই রোবট বানানো শেখা সম্পূর্ণ হয় না। প্রতিটি ধাপে যেসব ডিভাইস ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলো কীভাবে কাজ করে, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কেমন আচরণ করে, ডিভাইসগুলো সম্পর্কে টেকনিক্যাল জ্ঞান অর্জন ইত্যাদি শিখতে হবে। আবার ওই প্রোজেক্ট তৈরি করতে যেই প্রোগ্রামিং লাগবে সেটির সিনট্যাক্স, ব্যবহার ইত্যাদিও শিখতে হবে যথাযথভাবে।
- ঙ) সব রোবটে একই প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা হয় না। বাংলাদেশে বিভিন্ন রোবট তৈরিতে সি প্রোগ্রামিং, সি++, পাইথন, জাভাস্ক্রিপ্ট, স্ক্র্যাচ সহ আরও বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা। তুমি যেই ডেভেলপমেন্ট বোর্ড ব্যবহার করবে সেই বোর্ডে কোন প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা যায় সেটি আগে জেনে নিবে। এরপর সেই প্রোগ্রামিং ভাষা ভালোভাবে শিখবে। তবে একটি প্রোগ্রামিং ভাষা শিখে গেলে পরবর্তীতে নতুন আরও প্রোগ্রামিং ভাষা শেখা সহজ হয়ে যায়। বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা শেখারও বিভিন্ন রকম রিসোর্স, বই, টিউটোরিয়াল ইত্যাদি অনলাইনে ও অফলাইনে পাওয়া যায়।
- চ) বিভিন্ন মিশন নিজে থেকে কল্পনা করে নানা রকম রোবট বানানো বাসায় বারবার চর্চা করতে হবে। যতবেশি চর্চা করা হবে, তত ভালো শিখতে পারবে।
- ছ) এই ক্যাটাগরির নিয়মাবলী (রুলবুক) আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ভালো করে জেনে নিতে হবে। যেহেতু ২ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে ভেন্যুতে রোবট তৈরি ও মিশন প্রাকটিস করতে হবে তাই বাসায় নিয়মিত নানারকম মিশন পরিকল্পনা করে সময় ধরে অনুশীলন করা জরুরী।

